বাংলাদেশ

শিক্ষামন্ত্রীর বিশ্ব সেবিকা দিবস উৎযাপন।

আজ ১২ ই মে। বিশ্ব সেবিকা দিবস।
১৮২০ সালের ১২ মে বাবা উইলিয়াম এডওয়ার্ড নাইটিঙ্গেল এবং মা ফ্রান্সিস নাইটিঙ্গেলের ঘর আলো করে জন্ম গ্রহণ করেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল। জন্মস্থান ইতালির ফ্লোরেন্স শহরের নামানুসারেই মেয়ের নামকরণ করেন বাবা-মা।

নারী শিক্ষার প্রচলন না থাকলেও ফ্লোরেন্সের বাবা তাতে খুব প্রয়োজন বোধ করেছিলেন। তাই দুই মেয়েকে তিনি বিজ্ঞান, গণিত, ইতিহাস ও দর্শন বিষয়ে শিক্ষার ব্যবস্থা করেন।

ফ্লোরেন্স বিশ্বাস করতেন স্রষ্টা তাকে সেবিকা হওয়ার জন্যই পাঠিয়েছেন। মাত্র ১৭ বছর বয়সেই এই উপলব্ধি করেন তিনি। তখন সেবিকা পেশাককে নিচু দৃষ্টিতে দেখা হতো বলে ফ্লোরেন্সের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে চাননি বাবা-মা। অবশেষে হাল না ছাড়া মেয়েটির সিদ্ধান্তকেই গুরুত্ব দিতে বাধ্য হন।

অনুমতি মিললে ১৮৫১ সালে সেবিকার প্রশিক্ষণ নিতে জার্মানিতে পাড়ি জমান তিনি। ১৮৫৩ সাল থেকে ১৮৫৪ সাল পর্যন্ত লন্ডনের ‘কেয়ার অব সিক জেন্টলওমেন ইনিস্টিটিউটের’ তত্ত্বাবধায়ক হিসাবে কাজ করেন।

১৯৫৪ সালে ব্রিটেন, রাশিয়া ও ফ্রান্সের যুদ্ধ চলাকালে ৩৮ জন সেবিকাসহ নিজেকে যুদ্ধ ময়দানে নিয়োজিত করেন ফ্লোরেন্স। দুই বছর ধরে চলা ক্রিমিয়া যুদ্ধে ফ্লোরেন্স ও তার সেবিকারা আহতদের ক্লান্তিহীন সেবা দিয়ে গেছেন।

১৮৫৫ সালে তিনি সেবিকা প্রশিক্ষণের জন্য তহবিল সংগ্রহের কাজ শুরু করেন। চার বছরে সংগ্রহ করেন প্রায় ৪৫ হাজার পাউন্ড। পরবর্তী সময়ে তিনি ভারতবর্ষের গ্রামীণ মানুষের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর গবেষণা চালান। যা ভারতবর্ষে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইংল্যান্ডের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নেও তিনি বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন।
১৯৭৪ সাল থেকে অভিজাত ব্রিটিশ পরিবারের মেয়ে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের জন্মদিনটি বিশ্ব সেবিকা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

তার ই পরিপ্রেক্ষিতে আজ সারাদেশে সেবিকা দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দিপু মনি এম পি আজকে সন্ধ্যায় ৭ টায় তার বাসায়, ফেসবুক লাইভে এসে তার বাসার সবাইকে নিয়ে ১ মিনিট হাততালির মাধ্যমে সকল সেবিকাদের প্রতি সম্মান জানান।
এসময় তিনি আরো সম্মান জানান বর্তমান করোনা মোকাবেলায় সম্মুখযোদ্ধাদের।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close