বাংলাদেশ

প্রেক্ষাপট ১/১১ ডেটলাইন ১৪ মে ২০০৭

শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলঃ আজ স্মৃতি বিজরিত ঐতিহাসিক ১৪ মে। ২০০৭ সালে আলোচিত-সমালোচিত ১/১১ এর কঠিন দুঃসময়ে আওয়ামী পরিবারের নেতা কর্মীদের গ্রেফতার ও কারা নির্যাতনের ভয়াল ও দূর্বিষহ কালো দিন।

আমরা অনেকেই হয়তো ভুলে যাইনি, ২০০৬ সালে ৮ম সংসদের মেয়াদ শেষে ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে তৎকালীন বিএনপি – জামাত চারদলীয় জোট সরকার দেশে মারাত্মক রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি করে। নির্বাচনকালীন তত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগ নিয়ে জটিলতা প্রকট আকার ধারণ করে এবং আসন্ন নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে ধুম্রজাল স্মৃষ্টি করা হয়। সংকটের রাজনৈতিক সমাধান না টেনেই ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়। আওয়ামীলীগ, জাতীয় পার্টি সহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ঐ নির্বাচন বর্জন করে। এমতাবস্থায় নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ১১ দিন আগে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি সেনাবাহিনীর পরোক্ষ সমর্থনে তৎকালীন নানা বিতর্ক সৃষ্টিকারী রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দীন আহমেদ দেশে জরুরি অবস্থা জারী করেন এবং তার দায়িত্বের অতিরিক্ত প্রদান উপদেষ্টার পদ ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। পরদিন ১২ জানুয়ারি সন্ধায় ডঃ ফখর উদদীন আহমদ প্রধান উপদেষ্টা উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে পর্যন্ত প্রায় ২০ ঘন্টা দেশে কার্যত কোন সরকার ছিলনা। ঐ সময় তৎকালীন নির্বাচন কমিশনের উপর চাপ সৃষ্টি করে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার সাংবিধানিক বাধ্য – বাধকতায় ব্যত্তয় ঘটানো হয়।

২০০৭ সালের ১৫ মার্চ জননেত্রী শেখ হাসিনার চোখের চিকিৎসা ও তাঁর অসুস্থ পুত্রবধূকে দেখতে ব্যক্তিগত সফরে যুক্তরাষ্ট্রে যান। এ সময় সেনা সমর্থিত সরকার নিযুক্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হঠাৎ করে ঘোষণা করেন দেঢ় বছরের আগে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয়। চুপ থাকতে পারলেননা বিদেশে সফররত বঙবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। ৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রে ফ্লোডিরা থেকে সিইসির বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করে দেশরত্ন শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠান বিলম্ব করলে জনগনের ধৈর্য্যচ্যুতি ঘটবে। শেখ হাসিনার তেজোদ্দীপ্ত বক্তব্যে ক্ষমতাসীনরা কেঁপে উঠে। তিন দিনের মাথায় ৯ এপ্রিল নেত্রীর বিরূদ্ধে ৩ কোটি টাকার সাজানো বানোয়াট চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়। মামলার কথা শুনে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠা শেখ হাসিনা ব্যক্তিগত সফর সংক্ষিপ্ত করে অতি দ্রুততার সঙ্গে দেশে ফেরার ঘোষণা দেন। চাঁদাবাজির মামলা সহ ৪২ জন দলীয় নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। ঔদিনই বার্তা সংস্থা এপির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে নেত্রী বলেন আমার বিরুদ্ধে আনা হত্যা ও চাঁদাবাজির মামলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত,ভীত্তিহীন, ও মিথ্যা। নেত্রী নির্ধারিত তারিখের আগেই দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন এবং দ্বীপ্ত কন্ঠে উচ্চারণ করেন, প্রয়োজনে জীবন দেব তবু অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না। বিমানের টিকেট কাটা হয়ে গেছে,নেত্রী দেশে আসার কথা ছিল ২৩ এপ্রিল। আর নয়দিন এগিয়ে তিনি ১৪ এপ্রিল দেশে ফেরার ঘোষণা দেন। শেখ হাসিনার দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত এবং দেশে ফেরার তারিখ এগিয়ে আনায় সেনা সমর্থিত সরকার হতভম্ব হয়ে পড়ে। সরকার এ সময় কিছুটা পিছু হটে৷ সরকারের পক্ষ থেকে পুর্ব নির্ধারিত তারিখে দেশে ফিরতে নেত্রীর প্রতি অনুরোধ জানানো হয়। দেশ ও জাতির সার্থের কথা চিন্তা করে জনতার নেত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়েই দেশে ফেরার সকল প্রস্তুতি গ্রহন করেন। নেত্রীকে কোনভাবেই যখন বিদেশে আটকে রাখা যাচ্ছিল না তখনই সরকার তাঁর দেশে ফেরার ব্যাপারে এক অদ্ভুত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বসে। ১৮ এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রেসনোটে শেখ হাসিনাকে ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিপদজনক ব্যাক্তি’ ঘোষণা করে তার দেশে আসার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এরপরও কোনকিছুর পরোয়া করলেন না বঙ্গবন্ধুর দুঃসাহসিক কন্যা শেখ হাসিনা। এভাবে পাহাড়সম বাধার মুখে ২৩ এপ্রিল ব্রিটিশ এয়ারওয়েজে ঢাকা ফেরার ঘোষণা দিয়ে তিনি ওয়াশিংটন থেকে ১৯ এপ্রিল লন্ডন পৌঁছেন।
বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও সেনা সমর্থিত সরকারের অনুরোধে ২২ এপ্রিল ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ শেখ হাসিনাকে ফ্লাইটে আরোহন করতে দেয়নি। ২৩ এপ্রিল বিশ্বের ৪১ টি দেশের ১৫১ টি শীর্ষস্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় শেখ হাসিনা বিষয়ক খবর প্রচার হয়। এক পর্যায়ে সেনা সমর্থিত মঈন উদ্দীন – ফখর উদ্দীন সরকার পিছু হটে এবং দেশ বিদেশের সমালোচনার মুখে ২৫ এপ্রিল ২০০৭ উপদেষ্টা পরিষেবা এক আনুষ্ঠানিক বৈঠকে জননেত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়।

অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে মামলা হামলার পরোয়া না করে অনেকটা জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ২০০৭ সালের ৭ ই মে জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর প্রিয় স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা সহ প্রবাসী বাংলাদেশী আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ জননেত্রীর ভ্যানগার্ড হয়ে দেশে আসেন। জরুরি অবস্থার মধ্যেও ঐদিন লাখো জনতার কাতারে নেত্রীকে বরন করতে আমরা শামিল হয়েছিলাম। সেদিন ঢাকায় বিস্ফোরণমূখ লাখো জনতার সামিল হয়েছিলেন তৎকালীন সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক জননেতা এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের তৎকালীন যুগ্ন সম্পাদক জননেতা শফিকুর রহমান চৌধুরী, জেলা আওয়ামীলীগ এর তৎকালীন বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, সিলেট মহানগর আওয়ামী যুবলীগের তৎকালীন সভাপতি এডভোকেট সৈয়দ শামীম আহমদ এবং সিলেট জেলা ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি জগলু চৌধুরী। আমরা ঐদিন নেত্রীকে বিমান বন্দর থেকে বরণ করে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বঙ্গবন্ধু ভবনে নিয়ে আসি। পরদিন ৮ ই মে আমরা উল্লেখিত নেত্রীবৃন্দ শত প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করতে ধানমন্ডির সুধাসদনে নেত্রীর বাসভবনে যাই। তখন অনেক নেতা নেত্রীই সুধাসদন আর নেত্রীকে এড়িয়ে চলার আপোষকামী সংস্কার পন্থার রাজনীতিতে গাঁ ভাসিয়ে দিয়েছেন। এরপর ও অনেক কেন্দ্রীয় নেত্রীবৃন্দ দৃঢ়তার সাথে নেত্রীর পাশে থেকেছেন। ঐদিন দলের তৎকালীন প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, বেগম মাতিয়া চৌধুরী, ডাক্তার দীপুমনি সহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেত্রীবৃন্দের সাথে আমাদের সাক্ষাৎ হয়েছিল। সুধা সদনে প্রবেসের সময় আমাদের অনেক ভোগান্তী ও প্রবল বাধার সম্মুখীন হতে হয়। এক পর্যায়ে প্রচন্ড হট্টগোল ও চেচামেচির আওয়াজে ভিতর থেকে একজন অফিসার এসে আমাদের ভিতরে যাওয়ার অনুমতি প্রদান করেন। তখন গেইটে দায়িত্বরত সেনা কর্মকর্তারা আমাদের নাম পরিচয় লিখতে বললে আমরা যথারীতি আমাদের নাম ঠিকানা সহ দলীয় পরিচিতি লিপিবদ্ধ করেই ভিতরে প্রবেশ করি। বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর জাতির জন্য চরম উদ্বিগ্ন মাননীয় নেত্রী শেখ হাসিনার সাথে আমাদের প্রায় দুই ঘন্টার আলাপচারিতায় সেদিন আমরা নেত্রীর কাছ থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সাহসী নির্দেশনা পাই। নেত্রী আমাদের জন্য শুভকামনা করে সাবধানে ও সতর্কতা অবলম্বন করে গন্তব্যে যাওয়ার পরামর্শ দেন। আমরাও সেদিন সুধা সনদের বাইরে সেনা কর্মকর্তাদের অধিক নজরদারি ও অহেতুক জিজ্ঞাসাবাদে বেশ উৎকন্ঠায় ছিলাম। ঐদিন থেকেই সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়ার অজানা এক আতংক আমাদের ঘিরে রেখেছিল। নেত্রীর সাথে আসা প্রবাসী নেতৃবৃন্দকে শফিকুর রহমান চৌধুরী সিলেটে তার বাসায় নিমন্ত্রণ করেন। মধ্যান্নভোজে আপ্যায়নের দিনক্ষণও ঠিক করা হয়। মূলতঃ এই আপ্পায়নের ভিতরে ছিল দলীয় নেতা কর্মীদের একত্রিত করে সংকটকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, মোকাবিলা ও পরবর্তী করনীয় নির্ধারন। উল্লেখ্য যে তৎকালীন জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের নেত্রীবৃন্দের সাথে পরামর্শপূর্বক প্রবাসী নেতৃবৃন্দের সৌজন্যে ২০০৭ সালের ১৪ মে শহরতলীর বটেশ্বরে পীরের বাজার এলাকার চাঁদবাগান নামের বাড়িতে এই মধ্যাহ্ণভোজের আয়োজন হয়।

ডেটলাইন ১৪ মে ২০০৭ :
জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকালে তাঁর সাথে আসা প্রবাসী নেতৃবৃন্দ আসতে শুরু করেছেন বটেশ্বরের চাঁদ বাগানে। এসেছেন সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। দীর্ঘদিন পর মিছিলের সাথী, রাজপথের সহযোদ্ধা একে অন্যকে পেয়ে এক মিলনমেলার আবহের সৃষ্টি হয় অনুষ্টানস্থলে। দমবন্ধ রাজনৈতিক পরিস্থিতির মাঝেও সেদিনের সেই আয়োজন প্রায় সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রানবন্ত হয়ে উঠেছিল। খাওয়া দাওয়া মধ্যাহ্ণ্যভোজের ফাঁকে চলছিল সংকটময় রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলার নানা আলাপচারিতা ও কৌশল নির্ধারণ।
এমনি অবস্থায় পরন্ত বিকেলে একদল সেনা সদস্য চাঁদবাগানের ভিতরে প্রবেশ করে। নিজেকে মেজর পরিচয় দেয়া বিমানবাহিনীর স্কোয়াড্রন লিডার তারেক আমাদের সকলকে একসাথে বাড়ির সামনের আঙিনায় সমবেত হওয়ার আহবান জানাতে থাকেন এবং উপস্থিত সমবেত নেত্রীবৃন্দের সাথে অত্যন্ত অসৌজন্যমূলক আচরণ করে উপরের নির্দেশে আমাদেরকে গ্রেফতার করা হচ্ছে বলে ঘোষণা করেন। তিনি ও তার সহযোগীরা আমাদের সকলের নাম ঠিকানা ও রাজনৈতিক পরিচয় লিপিবদ্ধ করতে থাকেন। অবশ্য যৌথবাহীনীর সদস্যরা আসার পূর্বে ডিবির কতিপয় কর্মকর্তা অনুষ্ঠানের নিরাপত্তার কথা বলে আগে থেকেই এখানে অবস্থান করে এবং আমাদের সাথে খাওয়া দাওয়া ও সেরে নেয়। পরবর্তীতে আমাদের ৪০ জন দলীয় নেতাকর্মীকে গ্রেফতার দেখিয়ে আমাদেরকে বাস গাড়িতে করে সিলেট কোতোয়ালি থানায় নিয়ে আসা হয়। রাত প্রায় ১২ টা পর্যন্ত কোতোয়ালি থানাতেই চলে আমাদের গ্রেফতার দেখানোর নানা অফিসিয়াল আয়োজন। কিছু সময় পরে একটি প্রিজন ভ্যানে করে থানা থেকে কয়েকমুহুর্ত আদালত চত্তর হয়ে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
আমাদেরকে প্রথমে আমদানি ওয়ার্ডে রাখা হয়। পরের দিন ৪০ জনকে ভাগ করে বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রেরন করে।
কারাবাসের ১২ দিনের মাথায় দেশী – বিদেশি চাপ ও জননেত্রী শেখ হাসিনার অব্যাহত চাপের মুখে ২৬ মে আমাদের ৪০ জনকেই জরুরী বিধিমালা ১৬ / ক ধারায় জামিন দেওয়া হয়। এ সময় প্রবাসী নেতৃবৃন্দ সহ ২৬ জন নেতা কর্মী মুক্তি পেলেও বাকী ১৪ জন নেতা কর্মীর ভাগ্যে জোটে এক মাসের ডিটেনশন। প্রত্যেককে আলাদা কাগজে বিস্তর ফিরিস্তি লিখে নীচে – ‘ সুতরাং সরকার বাহাদুর সন্তুষ্ট হইয়া আপনাকে এক মাসের আটকাদেশ প্রদান করিল ‘ মর্মে ডিটেনশনের কাগজ ধরিয়ে দেন কারা কতৃপক্ষ। অতঃপর তৎকালীন সরকার বাহাদুর মহা সন্তুষ্ট হইয়া আমাদের উপর একটানা আরো তিন মাসের ডিটেনশন চাপিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তিন দফার ডিটেনশন শেষে আমাদের উপর রাষ্ট্রদ্রূহী মামলা ২৫/ঘ রুজু করা হয়।

ডিটেনশন প্রাপ্ত ১৪ জন নেতা কর্মী এবং প্রবাসী ও স্থানীয় ৪০ জন নেতা কর্মী হচ্ছেন –
১। এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ (ডিটেনশন) সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।
২। শফিকুর রহমান চৌধুরী (ডিটেনশন)
সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিলেট জেলা আওয়ামীলীগ ও সাবেক সংসদ সদস্য।
৩। সৈয়দ শাহেদ রেজা
সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সাবেক মহাসচিব, বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন।
৪। ফারুক চৌধুরী
সাবেকসহ সভাপতি, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ।
৫। সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক
সাধারণ সম্পাদক, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ।
৬। শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল
সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।
৭। এডভোকেট নাসির উদ্দিন খান ( ডিটেনশন)
সাধারণ সম্পাদক, সিলেট জেলা আওয়ামীলীগ।
৮। বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল খালিক ( ডিটেনশন)
সাবেক সহ সভাপতি, সিলেট মহানগর আওয়ামিলীগ
৯। সারওয়ার হোসেন
সাবেক সভাপতি, কানাডা আওয়ামীলীগ।
১০। সৈয়দ আবুল কাশেম
সহ সভাপতি, সুনামগন্জ জেলা আওয়ামীলীগ।
১১। এডভোকেট সৈয়দ শামীম আহমদ ( ডিটেনশন)
সাবেক সভাপতি, সিলেট মহানগর যুবলীগ ও
সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, সিলেট মহানগর আওয়ামিলীগ।
১২। প্রিন্স সদরুজ্জামান চৌধুরী ( ডিটেনশন)
সাবেক সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক, সিলেট মহানগর আওয়ামিলীগ।
১৩। আক্তারুজ্জামান চৌধুরী জগলু ( ডিটেনশন)
সাবেক সভাপতি, সিলেট জেলা ছাত্রলীগ ও সাবেক
উপ দপ্তর সম্পাদক, সিলেট জেলা আওয়ামীলীগ।
১৪। হাবিবুর রহমান সেলিম ( ডিটেনশন)
সাবেক আহবায়ক, সিলেট মহানগর ছাত্রলীগ।
১৫। আব্দুর রহিম সিআইপি
সহ সভাপতি, যুক্তরাজ্য আওয়ামী
১৬। এ টি এম শোয়েব
সভাপতি, সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি।
১৭। আসাদুজ্জামান আসাদ ( ডিটেনশন)
সাবেক যুগ্ন সম্পাদক, সিলেট মহানগর যুবলীগ।
১৮। ইয়াহিয়া আহমদ।
আওয়ামীলীগ নেতা, কানাডা শাখা।
১৯। শামসুল ইসলাম মিলন ( ডিটেনশন)
সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
২০। সাইফুল আলম সিদ্দিকী টিপু ( ডিটেনশন)
সাবেক সাধারণ সম্পাদক, এমসি কলেজ ছাত্রলীগ।
২১। কবিরুল ইসলাম কবির।
সাবেক জেলা যুবলীগ নেতা।
২২। ইউসুফ আলী ( ডিটেনশন)
সাবেক সিলেট জেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা।
২৩। ঝলক পাল
সাবেক সাধারণ সম্পাদক, যুক্তরাজ্য শাখা।
২৪। টিটু ওসমানী ( সিনিয়র অফিসার এবি ব্যাংক)।
সাবেক অর্থ সম্পাদক, ওসমানীনগর, আওয়ামিলীগ।
২৫। মোজাহিদ আহমদ সোহেল।
সাবেক যুক্তরাজ্য যুবলীগ নেতা।
২৬। আবদুর রকিব সিকদার।
বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও আওয়ামিলীগ নেতা।
২৭। জহুরুল আলম চৌধুরী মাসুম।
সাবেক সদস্য, সিলেট মহানগর যুবলীগ।
২৮। শফিকুল ইসলাম চৌধুরী টুনু।
সাবেক সদস্য, সিলেট মহানগর যুবলীগ।
২৯। মুহিবুর রহমান লাভলু।
সাবেক যুবলীগ নেতা, সিলেট মহানগর।
৩০। শহিদুর রহমান শহীদ।
সাবেক যুবলীগ নেতা, যুক্তরাজ্য শাখা।
৩১। অজয় দেব ( ডিটেনশন)
সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, ওসমানীনগর থানা শাখা।
৩২। সেলিম রেজা ( ডিটেনশন)।
সাবেক যুগ্ন আহবায়ক, ওসমানীনগর সেচ্ছাসেবকলীগ
৩৩। কামরুল ইসলাম খোকন
সাবেক আওয়ামীলীগ নেতা।
৩৪। আরিজ আলী
সাবেক সহ সভাপতি, ওসমানীনগর থানা যুবলীগ।
৩৫। শরিফ খান মনি – আওয়ামীলীগ নেতা।
৩৬। সাফকাত আজিজ – যুবলীগ নেতা।
৩৭। তোরন মিয়া – সাবেক যুবলীগ নেতা।
৩৮। মিজান খান – সাবেক ছাত্রলীগ নেতা।
৩৯। রিমন চৌধুরী – সাবেক যুবলীগ নেতা।
৪০। আবু সাঈদ চৌধুরী – সাবেক ছাত্রলীগ নেতা।

এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য যে ওই দিন বটেশ্বরের চাঁদ বাগান এর বাড়ি থেকে বর্তমান যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন প্রেসিডিয়াম সদস্য, বর্ষিয়ান জননেতা মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জননেতা সুলতান মুহাম্মদ শরীফ, যুক্তরাজ্য আওয়ামিলীগ এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক জননেতা আবুল হাসেম জায়গীরদার এবং যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ এর সাবেক সহ সভাপতি মরহুম জননেতা সমরু মিয়া এই তিনজন প্রবীন নেতাকে অসুস্থতা এবং বয়স বিবেচনায় যৌথবাহিনী ছেড়ে দিয়েছিল।

লেখকঃ শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সাংগঠনিক সম্পাদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close