বাংলাদেশব্রেকিং নিউজস্বাস্থ্য

ত্রাণ নিয়ে সমালোচনা না করে সাহায্য করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার জনগন ও দেশের অর্থনীতি কে করোনা ভাইরাস এর মহামারি থেকে বাঁচাতে বিভিন্ন খাতে প্রায় এক লাখ কোটি টাকা প্রনোদনা দিয়েছে।’ সাথে সমলোচমাকারীদের সাহায্যের হাত বাড়াতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবনে তার ত্রান তহবিলে প্রতিষ্টান,সংস্থা ও ব্যক্তিদের অনুদান গ্রহনকালে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগ দেন। আর তার পক্ষে ত্রান তহবিলের চেকগুলো গ্রহণ করেম মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন প্রনোদনা প্যাকেজটির পরিকল্পনা আগামী তিন বছর পর্যন্ত। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে প্রায় এক লাখ কোটি টাকা প্রনোদনা আমরা ঘোষণা করেছি। যাতে যারা ব্যবসা-বাণিজ্য বা যে যেভাবে চালাচ্ছেছিলেন সেগুলো যেন ভবিষ্যতে চালু রাখতে পারেন। শেখ হাসিনা বলেন প্রনোদনা প্যাকেজটি দীর্ঘমেয়াদি, এটা শুধু আজকের নয়, আমাদের এখনকার যে সমস্যা সেটা সমাধান করা এবং আগামী ৩ অর্থবছর পর্যন্ত যে পরিকল্পনা সেটা বাস্তবায়ন করা।

এসময় সরকার প্রধান বলেন,প্রনোদনা প্যাকেজে নিম্ন আয়ের মানুষের কথা চিন্তা করা হয়েছে। প্রধাবমন্ত্রী বলেন, আমাদের শ্রমিক, কৃষক,জেলে, কামার-কুমার,রিকশাওয়ালা, ভ্যানচালক শুরু করে প্রত্যেকের কথা চিন্তা করেছি এবং প্রত্যেকের দিকে লক্ষ্য রেখে আমরা এই প্রনোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছি।
যাতে করে সব শিল্প – কারখানা এবং ব্যবসা বাণিজ্য ও চালু থাকে৷ এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রনোদনা প্যাকেজটি দেশের জিডিপির ৩ দশমিক ৩ শতাংশ।

কঠোর হুশিয়ারি কথা জানান যারা দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে ত্রান নিয়ে অনিয়ম এবং দুর্নীতি করছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি জানি ত্রাণ সরবরাহের কাজে কিছু লোক রয়েছে যাদের এটাই প্রফেসন হয়ে যায় এবং ত্রান দেখলেই ঝাপিয়ে পড়ে। শেখ হাসিনা বলেন, সেরকম যেন না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে এবং সাথে সাথে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া কথা বলেন।

এদিকে ত্রাণ নিয়ে সমালোচনা না করার আহবান জানান শেখ হাসিনা। বলেন,দুভার্গ্য যে অনেক দল,সুধী সমাজ তারা মানুষের সেবা এগিয়ে আসছে না। সমালোচনা করতেই ব্যস্ত, বদনাম দিতে ব্যস্ত। ৬২ হাজার জায়গায় যদি ত্রান দেওয়া হয়, সেখানে ৫–৬ টা জায়গায় সমস্যা হয় সেটা নিয়ে তারা চিৎকার করে যাচ্ছেন।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close