বাংলাদেশ

এলাকায় ১৮ থেকে ২০ জন আক্রান্ত হলেই রেড় জোন !

সুহেলি রিপা, নিজস্ব প্রতিনিধি; পুরো বিশ্বেই মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও এখন আর সাধারণ ছুটির ঘোষণা দিচ্ছেন না সরকার। ঝুঁকি বিবেচনায় রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করে লকডাউন করা হবে বলে জানা যায়।অপরদিকে ৩৩৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি পুরো দেশকে পূর্ণাঙ্গ লকডাউন করার দাবি জানিয়েছেন ।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা যদি দেখি আমাদের ব্যাপক অবনতি ঘটছে তাহলে তো আমাদের (পূর্ণাঙ্গ লকডাউন দেয়া ছাড়া) বিকল্প কিছু থাকবে না। আমাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে নেয়ার জন্যই এটা খুলে দেয়া হয়েছে। মানুষ যাতে মাস্ক পরে নিরাপদ দূরত্বে থাকে, আমরা সেটা বলছি। যখন মানুষ এটা করতে ব্যর্থ হবে এবং এটা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়বে। তখন তো ঘরে থাকা ছাড়া উপায় থাকবে না।’ এদিকে, করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুহার অনুযায়ী সারাদেশকে লাল, সবুজ ও হলুদ জোনে ভাগ করা হবে। বিষয়টি নিয়ে এরইমধ্যে কার্যক্রমও শুরু হয়ে গেছে।

ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তুত করে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতির জন্য পাঠানো হয়েছে। যা আজ (০৭ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ হয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠানোর কথা। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র থেকে জানা গেছে, মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রধানদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সারাংশ তৈরি করে তা প্রধানমন্ত্রীর সম্মতির জন্য পাঠানো হয়েছে । তৈরিকৃত সারাংশতে উল্লিখিত প্রস্তাব বা সিদ্ধান্তগুলো যাচাই বাছাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিবেন প্রধানমন্ত্রী। পুরো বিষয়টি এখনও প্রধানমন্ত্রীর সম্মতির অপেক্ষায় রয়েছে। সম্মতি পেলেই জোনভিত্তিক লকডাউন কার্যক্রম শুরু করবে সরকার।

তবে সারাদেশে এই জোন ভিত্তিক লকডাউন নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে জানা গেছে যে, দেশের একটি এলাকায় যদি ১ লাখ মানুষ বসবাস করে আর সেখানে যদি ১৮ থেকে ২০ জন কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে থাকে তবে সেই এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। তবে আক্রান্তের সংখ্যা নিয়েও বিশ্লেষকদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে বলে জানা গেছে।কেউ কেউ বলেছেন, প্রতি লাখে ১৮ থেকে ২০ নয়, ৩০ থেকে ৪০ বা তার উপরে হলে সেই সব এলাকাকে রেড জোনে শনাক্ত করা হতে পারে। এ বিষয়টিও প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।

Tags
Show More

Related Articles

Back to top button
Close
Close