ব্রেকিং নিউজবাংলাদেশ

একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্ত, নতুন মৃত্যু ৩ জন

অনলাইন ডেস্ক ঃ

প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দেশে বেড়েই চলেছে। ক্রমশ নাজুক হতে চলছে দেশের করোনা পরিস্থিতি। গত কয়েকদিন থেকে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু ও আক্রান্তের হার। আজ অব্যাহত রয়েছে সেই ধারা।

গত ২৪ ঘন্টায় দেশে মহামারি করোনা ভাইরাসে মৃত্যু বরণ করেছেন মাত্র ৩ জন। তবে এই সময় আক্রান্ত হয়েছেন ৭৯০ জন। যা একদিনে রেকর্ড আক্রান্ত। দেশে কোভিড নাইন্টিনে প্রাণ গেল মোট ১৮৬ জনের। ভাইরাসটিতে সংক্রমিত সংখ্যা দাঁড়ালো ১১ হাজার ৭১৯ জনে। নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৭৮ জন, এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৪৮১ জন।

শুক্রবার দুপুরে করোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর নিয়মিত অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে গত ২৪ ঘন্টায় দেশের করোনার সবশেষ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. নাসিমা সুলতানা।

এসময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. নাসিমা সুলতানা জানান, সারাদেশে ৩৩ টি ল্যাবে গত ২৪ ঘন্টায় নমুনা পরিক্ষা করা হয়েছে ৬ হাজার ২৪১ জনের। এ পর্যন্ত নমুনা পরিক্ষা করা হয়েছে ৯৯ হহাজারের বেশি।

তিনি বলেন, যে ৩ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে ২ জন পুরুষ ও ১ জন মহিলা। তাদের ২ বয়স ৬০ বছরের বেশি ও ১ জনের বয়স ৪১–৫০ বছরের ভিতরে।

যে ৩ জন মারা গেছেন তাদের বাড়ি ২ জন ঢাকার ও ১ জন ঢাকার বাইরে।

ড.নাসিমা সুলতানা জানান, দেশে করোনা ভাইরাসে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য মারা গেছেন এবং আরেকজন চিকিৎসা কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত ড.মনিরুজ্জামান তিনি মারা গেছেন।

বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা ভাইরাস শনাক্ত করা হয়। ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যু দেখে বাংলাদেশ। এরপরে ক্রমশ বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ভাইরাসের প্রকোপ দমনে এরই মধ্যে দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে অঘোষিত লকডাউন চলছে। বন্ধ রয়েছে সবধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দেশে অর্ধেকের মতো জেলাকে ইত্যিমধ্যে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

আর গত ১৬ এপ্রিল সারা দেশকে ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা করে সরকার। সারাদেশে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পুলিশসহ কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, এছাড়া মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনীকেও। যার একটা উদ্দেশ্য সামাজিক সংক্রমণ রোধ করা।

এছাড়া করোনা ভাইরাসে রোধ দমনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বারবার দেশের জনগণকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলে সবাইকে সুরক্ষিত ও নিরাপদে থাকার আহবান জানাচ্ছেন।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close