বাংলাদেশরাজনীতি

আজ কথা সাহিত্যিক মুক্তিযোদ্ধা -সাংবাদিক আকাদ্দস সিরাজুল ইসলামের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী

বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক, মুক্তিযোদ্ধা-সাংবাদিক আকাদ্দস সিরাজুল ইসলামের ২০তম মৃত্যু বার্ষিকী।
পারিবারিকভাবে দিনটি পালন করা হবে। এদিন গ্রামের বাড়িতে (জাফর মঞ্জিল, মাথিউরা ,বিয়ানীবাজার) কবর জেয়ারত, কোরানখানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এ সকল অনুষ্ঠানে শরিক হওয়ায় জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুম আকাদ্দস সিরাজুল ইসলামের সহকর্মী, বন্ধু বান্ধব ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
ষাট দশকের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আকাদ্দস সিরাজুল ইসলামের জীবদ্দশায় ‘নয়া দুনিয়া'(উপন্যাস, প্রকাশ কাল – ১৯৫৩), ‘নীরব নদী’ (বড় গল্প, প্রকাশ কাল – ১৯৬৫), ‘ পঞ্চবিংশতি’, (ছোট গল্প, প্রকাশ কাল- ১৯৬৭), ‘ মাটির চেরাগ’,(নাটক, প্রকাশ কাল- ১৯৬৯) ‘ সাবুর দুনিয়া'( কিশোর উপন্যাস, প্রকাশ কাল- ১৯৮৪), ‘ বন্দী জীবনের কিছু কথা’, (স্মৃতিচারণ, প্রকাশ কাল- ১৯৮৭)’ কারাগার থেকে বেরিয়ে,( স্মৃতিচারণ, প্রকাশ কাল- ১৯৮৯) ‘,’চালচিত্র’ ( গল্প, প্রকাশ কাল- ১৯৮৯) এবং ‘ রাক্ষুসে বন্যা এবং’ ( যুগল উপন্যাস, প্রকাশ কাল- ১৯৯৭)এ ৯টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয় ।মুক্তিযুদ্ধ কালীন আসামের করিমগঞ্জ থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র সাপ্তাহিক ‘মুক্তবাংলা’র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ছিলেন তিনি । মৃত্যুর পর তাঁর রচনা সমগ্র ২ খণ্ডে প্রকাশিত হয়। এছাড়া একটি স্মারক গ্রন্থও বেরিয়েছে।
১৯২২ সালের ২২ নভেম্বর সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা গ্রামে আকাদ্দস সিরাজুল ইসলাম জন্মগ্রহণ করেন। ২০০০ সালের ২ আগস্ট ভোরে গ্রামের বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য, রাজনৈতিক কারণে ‘ ৭৫ পরবর্তীতে তিনি দু’বার কারাবরণ করেন। আকাদ্দস সিরাজুল ইসলাম বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগের একটানা ২২ বছর (১৯৬৮-৯০) সাধারণ সম্পাদক এবং ৬ বছর (১৯৯০-৯৬) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সুবর্ণজয়ন্তীতে (১৯৯৯ সালে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে ‘ত্যাগী নেতা’র স্বীকৃতি হিসেবে ক্রেস্ট প্রদান করেন।

Show More

Related Articles

Back to top button
Close
Close